বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১১

সবুজ প্রযুক্তি


জাতিসংঘের এক ঘোষণায় ২০১১ বলা হয়েছে সবুজ প্রযুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্নয়নশীল দেশে কৃষি খামারগুলোর উৎপাদন বাড়ানো উচিত। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ইত্যাদির ব্যবহার কমিয়ে সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার করার উপরে জোড় দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পানি ও প্রাকৃতিক সম্পদের উপরে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ঘোষণায় আরও বলা হয়, ২০৫০ সালে বিশ্বে প্রায় ৯শ’ কোটি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে খাদ্য উৎপাদনের বর্তমান হার থেকে ৭০ থেকে ১শ’ ভাগ বাড়াতে হবে। অর্াৎ খাদ্য উৎপাদন ও ভয়াবহ খাদ্য সংকট দূর করতে কৃষি ব্যবস্থাকে পুরোপুরি সবুজ প্রযুক্তির আওতায় আনা জরুরি।
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাত ভাগের এক ভাগ বা প্রায় ৯২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অপুষ্টিতে ভুগছে এবং অপুষ্টিতে ভোগা মানুষগুলো সুস্থ ও কর্ক্ষম থাকার জন্য যে পরিমান খাদ্য প্রয়োজন তা তারা পাচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। অপুষ্টিতে ভোগা মানুষগুলোর বেশির ভাগই বিশ্বের সাতটি দেশের বাসিন্দা। দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, চীন, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্থান।
এ নিয়ে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এখনই ভাবার সময় এসেছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সাথে নিয়ে নিরন্তর গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজন রয়েছে সবুজ প্রযুক্তি কাজে লাগানোর।
·          এ অবস্থায় প্রথমেই আবাদি জমির সরোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং শস্য এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। গবেষণা করে জমি উপযোগী শস্য আবাদ করতে হবে।
·          কৃষি আবাদে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে হবে এজন্য যে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এতে প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক থাকবে, জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পাবে, শস্যে জীণ নকশায় পরিবতর্ন আসবে না, মানব শরীরে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে না।
·          পুষ্টির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রযুক্তি ব্যবহারে শুধু শস্য কণার উৎপাদন নিয়ে ভাবলে চলবে না, ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্যের উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।
·          উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে এবং এ নিয়ে প্রাণান্ত পরিশ্রম করতে হবে বিজ্ঞানীদের। বীজস্বাস্থ্য অটুট থাকে এমন বীজ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। কারণ ভাল বীজে ভাল ফসল ফলে।
·          সকল শস্যের জামর্প্লাজম সংরক্ষণ জরুরী।
·          পরিবেশ, প্রকৃতি ও কৃষির ক্ষতি করে এমন শিল্প স্থাপন থেকে বিরত থাকতে হবে।
·          কাবর্ন উৎপাদন ও প্রকৃতিতে অবমুক্তকরনের মানসিকতা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে সকলকে।
·          পানি সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। বিশেষ করে ভূ-উপরিভাগের মিঠা পানি ও বরষার পানির সুপরিকল্পিত ও কাযর্কর ব্যবহারের উদ্যোগ –পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।
·          জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কাযর্কর ভূমিকা রাখতে হবে সকলকে। এতে কৃষি জমির উপরে চাপ যেমন কমবে তেমনই খাদ্যের উপরেও চাপ কম থাকবে।

বুধবার, ২৫ মে, ২০১১

অব্যবহৃত জমি ব্যবস্থাপনা


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক আবাদী উর্বর জমি আবাদ বর্হিভূত বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর আবাদি জমির পরিমান হ্রাস পাচ্ছে। অথচ দেশে ভূমি ব্যবস্থাপনার নীতি না থাকায় অর্থনৈতিক ভাবে আমরা পিছিয়ে পরছি। খাদ্যে স্বয়ংস্বম্পূর্ণ হতে পারছি না। আর এ জন্য চাই পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানসম্মত ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা। এ সকল অঞ্চলে পরিকল্পিত, বিজ্ঞানসম্মত, টেকসই কৃষিপণ্য উৎপাদন ব্যবস্থাই পারে ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে। বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল, মহা সড়ক ও স্থানীয় সড়কের দু’ধার, পরিত্যক্ত জলাধার বা বড় জলাধারের পাড়, সরকারি ভাবে অধিগ্রহণকৃত বা সীমানা প্রাচীর বেষ্ঠিত সরকারি পরিত্যক্ত জমি বা দীর্ঘ দিন অব্যবহৃত কোন স্থাপনা সংলগ্ন পরিত্যক্ত জমিতে বর্ধিত কৃষিপণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। আর এ জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন ভূমি ব্যবস্থাপনায় সকলের আগ্রহ থাকা। পাশাপাশি সরকারের উচিত ভূমি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের। সর্বাগ্রে 9টি দফা বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে:
1.        দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অব্যবহৃত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের সমন্বিত গবেষণা কাজ এগিয়ে নেয়া
2.       অব্যবহৃত জমির মাটির প্রকৃতি ও গুণাগুণের শ্রেণীবিভাগ করা
3.       কৃষিজ উৎপাদনের জন্য এলাকাভিত্তিক মানচিত্রে সন্নিবেশিত করা (শস্য পর্যায় ব্যবস্থা মাথায় রেখে)
4.       শুকনা মৌসুমে সেচের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করা
5.       ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে যথাযথভাবে সংগঠিত ও প্রশিক্ষিত করে উক্ত জমিতে প্রবেশাধিকার দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা
6.       সরকারিভাবে শস্য উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা। বিশেষ করে ফি বছর বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা
7.       উক্ত এলাকাগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ঘটানো, পাশাপাশি জনগণের মৌলিক চাহিদা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, স্যানিটেশন ও পানীয়জলের সর্বোত্তম ব্যবস্থা নিশ্চিত করা
8.       দুর্যোগকালীণ জান-মালের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দেয়া
9.       প্রয়োজনে পৃথক মন্ত্রণালয় বা উন্নয়ন বোর্ড গঠন করে সকল কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটানো যেতে পারে।

সোমবার, ২৩ মে, ২০১১

পরিবেশসম্মত কৃষি


মাটিতে কোটি কোটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুজীব ও পোকা-মাকড় বসবাস করে। এরা মাটিতে থেকে মাটিরই খাদ্য তৈরি করে। পাশাপাশি নিজেরা জীবন ধারণ করে। আমাদের অজ্ঞতায় এই সকল অণুজীব অকালে মারা যাচ্ছে। বিশেষ করে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে এসব অণুজীব ধংস হচ্ছে। এ সকল অণুজীব মাটিতে না থাকার ফলে মাটির পানি ধারন ক্ষমতাও কমে যাওয়ার পাশাপাশি শক্ত ও বালুময় হয়ে অনুর্বর হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য আমরা গভীর নলকূপ দ্বারা পানি উত্তোলন করে মাটির পানির স্তর নিচে নিয়ে যাচ্ছি। জমিতে গভীর ভাবে চাষ করেও জমির উর্বরতা হ্রাস করছি। অন্যদিকে উচ্চ ফলনশীল বীজের নামে বিদেশী বীজ ব্যবহারের ফলেও মাটির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। যা কি-না পরিবেশ সম্মত কৃষি ব্যবস্থার অন্তরায় বটে। এ জন্য চাই দেশের মাটিতে দেশীয় ভাল বীজের অধিকতর ব্যবহার। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে বিদেশী উচ্চ ফলনশীল বীজ চাষে বেশি খরচ হয় রক্ষণাবেক্ষণ ও যত্নের জন্য এবং  পাশাপাশি উক্ত বীজ আবার সংরক্ষণ করাও যায় না। সব এলাকায় সমান ভাবে চাষও করা যায় না। দেশি বীজ সংরক্ষণ করা সহজতর। ফলে কৃষকদের বাড়তি টাকা ব্যয়ে সংগ্রহ করতে হয় না। এগুলো বালাই সহিষ্ণু এবং পরিবেশসম্মত। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করা অতি উত্তম। এক্ষেত্রে গোবর সার, আবর্জনা পচা সার, কেঁচো সার, ছাই সার, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা সার, খইল সার, চা পাতা সার, কচুরিপানা সার ও প্রাণিজ সার এর কথা বলা যেতে পারে। অন্যদিকে কীটনাশকের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও দেশজ পদ্ধতিতে ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় বা বালাই দমন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ফসলের জমিতে কাকতাড়ুয়া দিয়ে, আলোর ফাঁদ পেতে, হাত জাল দিয়ে, জমিতে গাছের ডাল পুঁতে দিয়েও পোকামাকড় বা বালাই দমন করা যেতে পারে। কীটনাশক ব্যবহারের ফলে উপকারী প্রাণি ব্যাঙ, সাপ বা কেঁচো পর্যন্ত মারা যাচ্ছে। এগুলো বেঁচে থাকলে ফসলের পোকা-মাকড় খেয়ে ফেলতো। সাপ ইঁদুর খায় তাই ইঁদুরের উৎপাত থেকেও আমরা রেহাই পেতাম। পরিবেশ সম্মত সেচের ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে গভীর নলকূপের পরিবর্তে দোন, ডুলা বা সেউতি ব্যবহার করে মাটির উপরের স্তরের পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে খরচও অনেক কম হবে। মাটির গভীরের পানিতে অনেক সময় আর্সেনিক পাওয়া যায়। আর্সেনিকের কবল থেকেও আমরা মুক্তি পেতে পরি। এছাড়া শস্য পর্যায় ব্যবস্থা তো আছেই। এতে এক দিকে যেমন বছরে নানা ফসল ফলাতে পারবো অন্যদিকে পরিবেশসম্মত কৃষির পাশাপাশি অর্থ সাশ্রয়ের ব্যপার তো রয়েছেই।

বুধবার, ১১ মে, ২০১১

মাটির উর্বরতা রক্ষায় শস্য পর্যায়

আমার বাংলা এক সময় ছিল ভীষন উর্বর ভূমি। অনেকে গর্ব করে বলতো আমার আছে সোনার মাটি। এই মাটি দুর্জয় খাঁটি। এই মাটিতে যা ফলানো যায় তাই হয় সোনা। কথাটি রূপক হলেও সত্য। কিন্তু আজ বিভিন্ন কারনে এই মাটি দূষিত হচ্ছে। আমাদের অজ্ঞতাও অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করছি। রাসায়নিক সারের অসম ও অপরিকল্পিত ব্যবহারেও এই দূষণ হচ্ছে। পাশাপাশি কীটনাশকের যথেচ্ছা ব্যবহার। আমরা এই দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে শস্য পর্যায়ের মতো পরিকল্পনা করে এগিয়ে নিতে পারি আমাদের ফসল উৎপাদন।
শস্য পর্যায় হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট জমিতে বিভিন্ন ধরণের শস্য ধারাবাহিকভাবে চাষ করানো। যে কোন জমিতে বছরের পর বছর একই শস্য না ফলিয়ে দুই তিন বছর অন্তর মেয়াদি ফসল ফলানো উচিত। এতে করে জমির উর্বরতা অনেকাংশে রক্ষা পায়। এতে ফসলের অনেক উপকার হয়। বীজ হয় স্বাস্থ্যবান। একই সাথে জমিতে অজৈব ও জৈব সার পরিমানমত পর্যায়ক্রমে ব্যবহারে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। শস্য পর্য়ায়ের নিয়ম অনুসারে সীম জাতীয় বা সবুজ সার জাতীয় ফসলের চাষ করা অবশ্যই প্রয়োজন। এই জাতীয় গাছ জমিতে বা মাটিতে পচে গিযে জৈব উপাদান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সীম জাতীয় ফসল বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের ডাল-ছোলা, মটর, মুগ, বরবটি এবং সয়াবীন, চীনাবাদাম, ধৈঞ্চা প্রভৃতি চাষ করে জমিতে জৈব পদার্থের সাথে সাথে নাইট্রোজেন জাতীয় উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি জমির ক্ষয়রোধও করে। খাদ্যের কথা মাথায় রেখে আমরা যারা কৃষক শুধুমাত্র জমিতে বছর বছর ধান উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পরছি। ধান হচ্ছে খাট শিকড় যুক্ত ফসল। ফলে বছর বছর ধান উৎপাদনের ফলে জমির উপর স্তরের খাদ্য বা উপাদান শেষ হয়ে যায়। এতে অন্য স্তরের খাদ্য উপাদান অব্যবহৃত থাকে। ফলে জমির উর্বরতায় বৈষম্যের সৃষ্টি হয়। এটি জমিতে ফসল উৎপাদনের অন্যতম একটি অন্তরায়। এই সময়ে কৃষক যদি একটু বুদ্ধি করে ধানের পরে পাট বা সময় অনুসারে অন্য কোন ফসল ফলায় তাহলে ধানের পোকা বা রোগজীবাণু পাটের গাছ বা অন্য গাছকে আর আক্রমণ করতে পারবে না। এতে ঐ পোকা বা জীবাণু খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। ফলে পোকা বা জীবাণুর উপদ্রব কমে যাবে। অন্যদিকে রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের অতি ব্যবহারে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই আমাদের উচিত শস্য পর্যায় অবলম্বন করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভাবে নিজেকে ও দেশকে বাঁচানো।
উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনের প্রধান শর্ত হলো জমিতে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি উপাদান থাকতে হবে। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধিতে শস্য পর্যায়ই হতে পারে কৃষকের একমাত্র হাতিয়ার। ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির খাদ্য চাহিদা পূরণে শস্য পর্যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরাই পারি আমার সোনার বংলার সোনার মাটিতে সোনা ফলাতে।

রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১১

বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ

ডালবীজ
 স্থানীয় ভাবে বীজ সংগ্রহের জন্য কৃষককে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ভরা যৌবনা ক্ষতর কথাবীজের জন্য অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে জমিতে আগাছা ছিল না বা অন্য জাতের মিশ্রণ নেই বা জমির মাঝখান থেকে সংগ্রহ করা বা যে অংশের গাছ সমান ভাবে হয়েছে এমন বিষয় গুলোফসল তোলার পরে আলাদাভাবে ঝাড়াই ও মাড়াই করে ৩ দিন রোদে ভালভাবে শুকিয়ে নিতে হবেবীজ শুকানোর পর দাঁতের  নিচে রেখে চাপ দিলে কট করে আওয়াজ হলে বুঝতে হবে বীজ ভালভাবে শুকিয়েছে 
গমবীজ
তেলবীজ
বীজের আর্দ্রতা একটি ফ্যাক্টরএই সময়ে গম, তেলবীজ ও ডাল বীজ সংগ্রহ করার উপযুক্ত সময়গমের জন্য ১২%, তেলবীজের জন্য ১১% এবং মসুর ডালের জন্য ১১% আর্দ্রতা অত্যাবশ্যকদেশের উপজেলা/জেলা কৃষি অফিস, বিএডিসির বীজ উপাদন খামার বা অন্য যে কোন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে বীজের আর্দ্রতা মাপক যন্দ্রের সাহায্যে বিনা খরচে নমুনা নিয়ে পরীক্ষv করিয়ে নেওয়া যেতে পারেপ্রত্যেক ক্ষত্র বীজ সংরণের জন্য প্রথমে বীজের ওজনের ১০ ভাগের এক ভাগ ছাই অথবা নিমপাতা শুকিয়ে গুঁড়া কেজি প্রতি ১০০ গ্রাম করে টিনের কৌটায়/ড্রামে রেখে ভালভাবে মুখ আটকিয়ে সংরক্ষণ করা যেতে পারে